Homeইসলামিক গল্পবিশ্বনবী (সা.)’র আঙুলের ইশারায় পূর্ণ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল

বিশ্বনবী (সা.)’র আঙুলের ইশারায় পূর্ণ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল

بسم الله الرحمن الرحيم
ASSALAMU ALAIMKUM আজ হতে ১৪৩৭ বছর আগে এই দিনে (১৪ ই জ্বিলহজ্ব) বিশ্বনবী (সা.)’র মোজেজার প্রকাশ হিসেবে তাঁর আঙুলের ইশারায় পূর্ণ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল। আবু জাহলের নেতৃত্বে একদল মূর্তি পূজারী ও ইহুদি জানায় যে, মুহাম্মাদ (সা.) যে আল্লাহর রাসূল তা তারা মেনে নিবে যদি তিনি চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করে দেখাতে পারেন। রাসূল (সা.)’র আল্লাহর কাছে দোয়া করে আঙ্গুলের ইশারা করলে ওই অলৌকিক ঘটনাটি ঘটে। পবিত্র কুরআনের সুরা আলকামারের প্রথম দুই আয়াতে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে: “কিয়ামত আসন্ন এবং চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। তারা কোনো নিদর্শন সরাসরি দেখলেও মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, ‘এতো চিরাচরিত জাদু’। ” ওই আরব মুশরিকরা এই মোজেজা অস্বীকার করে একে জাদু বলে অভিহিত করে। কিন্তু উপস্থিত ইহুদিরা চাঁদ দুই ভাগ হওয়ার ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। কারণ, ওই ইহুদিরা তাওরাতে পড়েছিল যে হযরত মূসা (আ.)’র উত্তরসূরি হযরত ইউশা (আ.)’র জন্য মহান আল্লাহ চাঁদ ও সূর্যকে স্থির করে রেখেছিলেন। রাসূল (সা.) চাঁদকে এত স্পষ্টভাবে দুই টুকরা করেন যে ওই দুই টুকরার ব্যবধানের মধ্যে হেরা পর্বত দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু আবু জাহল বলে ওঠে, “ তিনি নজরবন্দি করেছেন। যেসব লোক বিদেশে গেছে তারা ফিরে এসে সমর্থন জানালে তখন বুঝব।” বিদেশ থেকে আসা লোকেরা দেশে ফিরে এসে এ ঘটনার সত্যতাকে সমর্থন করলেও আবু জাহল বলে, “ তিনি সব লোককে নজরবন্দী করেছেন। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মালাবার রাজ্যের (বর্তমান কেরালা অঞ্চল) ততকালীন রাজা চক্রবর্তী ফারমাস (চেরামান পিরুমেল) আকাশে চাঁদ দুই টুকরো হয়ে যাওয়ার ওই অলৌকিক ঘটনাটি স্বচক্ষে দেখেছিলেন। যখন তিনি জানতে পারেন যে আরব দেশে শেষ নবী(সা.)’র আবির্ভাব ঘটেছে ও রাসূল (সা.)ই চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করেছিলেন, তখন তিনি মক্কায় আসেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ভারতের ইতিহাস গ্রন্থ ‘তারিখে ফেরেশতা’য় ওই ঘটনা উল্লেখিত হয়েছে।মার্কিন মহাশূন্য সংস্থা নাসার নভোচারীদের মাধ্যমে তোলা ছবিতেও চাঁদের মধ্যে গভীর ফাটলের চিহ্ন বা দাগ দেখা গেছে এবং এ থেকে স্পষ্ট হয় যে কোনো এক সময় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল। ভারতীয় রাজা যে ওই ঘটনা দেখেছিলেন তার লিখিত বিবরণের একটি প্রাচীন দলিল বর্তমানে লন্ডনে ভারতীয় দপ্তরের লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত রয়েছে। ওই দলিলে ভারতীয় সেই রাজার ভ্রমণের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। ওই রাজা ভারতের দিকে ফেরার পথে দক্ষিণপূর্ব আরবের এক বন্দরে (বর্তমান ওমানের সালালা শহর) মারা যান। # ALLAH HAFEZ
4 months ago (January 16, 2021) 92 Views
Tags
Direct Link:
Share Tweet Plus Pin Send SMS Send Email

About Author (6)

Contributor

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts



© 2021 All Right Received