HomeHacking Tutorial***আপনার ব্যবহৃত ডিভাইস ও সোস্যাল মিডিয়ার একাউন্ট হ্যাকের হাত থেকে বাচানোর গুরুত্বপুর্ণ কিছু টিপস**

***আপনার ব্যবহৃত ডিভাইস ও সোস্যাল মিডিয়ার একাউন্ট হ্যাকের হাত থেকে বাচানোর গুরুত্বপুর্ণ কিছু টিপস**

بسم الله الرحمن الرحيم
আস্সালা মোআলাইকু প্রিয় পাঠকেরা কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন।আপনাদের ভালো রাখেতেই TipstrickBD.Com আছে আপনাদের পাশে।আমিও আপনাদের দোয়াই ভালো আছি।তো বেশি কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি।
বর্তমানে পৃথীবিতে হ্যাকিংয়ের আতঙ্কটা অনেক বেরে যাচ্ছে।আজ আমি আপনাদের কিছু টিপস দেব।যা দ্বার আপনি আপনার ডিভাইস এবং সোস্যাল মিডিয়ার সকল একাউন্ট হ্যাকের কাছথেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।
১.বন্ধ রাখুন মোবাইলের ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথ- ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাই ফিচারগুলো সবসময় চালু থাকলে ডিভাইসটি আগে কোন কোন নেটওয়ার্কের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে তা সহজেই জেনে নিতে পারে হ্যাকাররা। এরপর পরিচিত কোনো ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের ছদ্মবেশে সহজেই ব্যবহারকারীর ডিভাইসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারবে একজন হ্যাকার। আর একবার সংযোগ স্থাপন করতে পারলে ওই ডিভাইস থেকে ডেটা চুরি, ম্যালওয়্যার ছড়ানো ইত্যাদি একেবারেই সহজ কাজ। এমনকি ব্যবহারকারীর অজান্তে তার উপর নজরদারিও করতে পারবে ওই হ্যাকার ।
২.ব্যবহার করুন টু-স্টেপ অথেনটিকেশন- মোবাইল কিংবা সোশাল নেটওয়ার্ক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেবল একটি পাসওয়ার্ড আর যথেষ্ট নয়। একাধিক ইন্টারনেটভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এখন ‘টু-স্টেপ অথেনটিকেশন’ সেবা দিয়ে থাকে। আর এই সেবা ব্যবহারের পরামর্শই দিয়েছেন পেশাদার হ্যাকাররা। ‘টু-স্টেপ অথেনটিকেশন’ ফিচার ব্যবহার করে গুগল, টুইটার এবং লিংকডইনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। এই ফিচারটি চালু করা থাকলে নতুন কোনো ডিভাইস থেকে লগ-ইন করতে চাইলে ব্যবহারকারীর মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে চলে যায় একটি কোড। আর ওই কোড ছাড়া নতুন ডিভাইস থেকে অ্যাকসেস করা যায় না অ্যাকাউন্ট। হ্যাকাররা কোনোভাবে পাসওয়ার্ড জানতে পারলেও নিজস্ব ডিভাইস থেকে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্ট অ্যাকসেস করতে চাইলেই প্রয়োজন হবে ওই কোড। একই সঙ্গে পাসওয়ার্ড আর মোবাইল ডিভাইস হ্যাকাররের হাতে পরার আশঙ্কা খুবই কম।
৩.ব্যতিক্রমী পাসওয়ার্ডের ব্যবহার- ব্যাংক এবং ইমেইল অ্যাকাউন্টগুলোর মতো যে সাইটগুলোতে আপনার স্পর্শকাতর তথ্য আছে সেই সাইটগুলোর জন্য জটিল ও ব্যতিক্রমী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আর প্রতিবছর অন্তত একবার হলেও সকল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা জরুরী। এছাড়াও ব্যবহার করা যেতে পারে ‘লাস্টপাস’ বা ‘পাসওয়ার্ড সেফ’ এর মতো পাসওয়ার্ড ম্যানেজার সফটওয়্যারগুলো। এতে একটি সফটওয়্যারেই জমা রাখা থাকে প্রয়োজনীয় সব পাসওয়ার্ড। আর পাসওয়ার্ডগুলো থাকে এনক্রিপ্টেড ডেটা হিসেবে।তো পাঠকেরা আসা করি পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে এবং উপকারে এসেছে।সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং tipstrickbd এর সাথে থাকবেন
7 months ago (January 17, 2021) 96 Views
Tags
Direct Link:
Share Tweet Plus Pin Send SMS Send Email

About Author (36)

Author

I'm A Student.I Love Write Trick,story,blog Etc.

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts



© 2021 All Right Received