HomeLife Styleযেভাবে সিক্স পেগ বডি বানাবেন এবং যা খাবেন আর যা খাবেন না

যেভাবে সিক্স পেগ বডি বানাবেন এবং যা খাবেন আর যা খাবেন না

بسم الله الرحمن الرحيم

প্রিয় ভাই প্রথমে আমার সালাম নেবেন । আশা করি ভালো আছেন । কারণ TipsTrickBD এর সাথে থাকলে সবাই ভালো থাকে । আর আপনাদের দোয়ায় আমি ও ভালো আছি । তাই আজ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য একদম নতুন একটা টপিক। আর কথা বাড়াবো না কাজের কথায় আসি ।


শক্তিশালী থাকারর পাশাপাশি সিক্স প্যাক বডি তৈরী করা আজকাল অনেক তরুনদের স্বপ্ন। নিজের চেহারা কেমন তা বড় কথা না, খুব মোটা কিংবা সুস্থ লিকলিকে রোগা টিনএজারদেরও টার্গেট কিন্তু ওই সিক্স প্যাক অ্যাবসের উপর। এটা বেশি অালোচিত খেলার জগতে বেশি। এরই প্রভাব আমাদের মধ্যে কমবেশি অনেকেরই উপর পড়েছে। এই ব্যাপারে যারা স্বাস্থ্য সচেতন, সিক্স প্যাক বানাতে চান, সিক্স প্যাক বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যায়ামের মাধ্যমে , খাদ্যাভাসের পরিবর্তন ইত্যাদি নিয়েই লেখা। ১. সতর্কতার সাথে খাবার খাওয়া: সুস্থ, সুন্দর ও শক্তিশালী করে নিজেকে গড়ে তুলতে খাবারে সতর্কতা বেশি জরুরী। যারা মোটা জিমে গিয়ে পেশি গঠন করতে চানন অাবার কেউ কেউ টিকন থাকে তাদের সবার জন্য খাবার তালিকায় ভিন্নতা রয়েছে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষক আপনাকে পরীক্ষা করে নানা ধরনের ব্যায়াম ও খাবারের তালিকা দেবেন। এটি মেনে চলতে হবে। তবে যাদের উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি, তারা অবশ্যই লাল মাংস, কোমল পানীয়, ফাস্টফুড, তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলবেন। এছাড়া সকালে চিরতা ভেজানো পানি, বিকেলে পানির সঙ্গে লেবু চিবিয়ে এবং বেশি করে শসা খেতে পারেন। ডিম খেলে কুসুম ছাড়া খেতে হবে। মাছ, মাংশ, আপেল, ডালিম, লেবু, পেয়ারা বেশি করে খেতে হবে। সিক্স প্যাক বডি বানাতে যা করা দরকার: পেশি তৈরি করতে যোগব্যায়াম খুব প্রয়োজনীয় সহায়ক । ডলফিন এক্সারসাইজ নামে পরিচিত একধরনের বিশেষ ব্যায়াম করতে পারেন। এক একজনের শরীরে একেক রকমের জেনেটিক ফ্যাক্টরের প্রভাব থাকে। সেই অনুযায়ী শরীরের গঠন তৈরি হয়। সিক্স প্যাক বডি তৈরী করা খুব কঠিন না হলেও খুব সহজ না কিন্তু অনেক পরিশ্রম করতে হবে। এজন্য নিয়মিত দড়িখেলা, সাইকেল চালনা, সাইড বেলি, আপার-লোয়ারসহ পেটের ৮-১০ রকম ব্যায়াম করতে হয়। প্রতিদিন ৫০-১০০ বার করে বুক ডন দিতে পারলে ভাল। চিত হয়ে সুয়ে পা চেপে ধরে মাথায় হাত দিয়ে উঠা নামা করতে হবে। পানিতে সাঁতার কাটা সিক্স প্যাকের জন্য বেশি ভাল। যারা হাতের পেশি বাড়াতে চান, তাদের জন্য দরকার হাতের নানা ব্যায়াম। এর ভেতর থাকছে নিয়মিত এক ঘণ্টা করে ডাম্বেল নিয়ে উঠা-নামা করতে হবে। সিক্স প্যাক বডি করতে খেয়াল রাখবেন যে ৫টি বিষয় : ১. শরীরের ফ্যাট: সিক্স প্যাক দৃশ্যমান হবে কিনা তা মুলত নির্ভর করে একজন মানুষের শরীরের ফ্যাট এর উপর। ব্যক্তিভেদে মোটামোটি শরীরের ফ্যাট ১৫% এর নীচে থাকলে পেটের পেশী দৃশ্যমান হয় খুব তারাতারি। ২. সকালে দৌড়ানো: আমরা খাদ্য থেকে যে ক্যালরি পাই রাতে ঘুমের মাঝে তার বেশিরভাগ পুড়ে যায়। তাই সকালে খালি পেটে ব্যায়াম করলে আমাদের দেহে যে অতিরিক্ত ক্যালরি চর্বি আকারে জমা থাকে, সেখান থেকে শক্তি সঞ্চারিত হয়। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠেই ৩০ মিনিট কারডিও যেমন, দৌঁড়/ সাইক্লিং/দড়ি লাফের ব্যায়াম, ইত্যাদি করলে বাড়তি চর্বি খুব তাড়াতাড়ি ঝরে যায়। দিনের অন্যান্য যেকোনো সময়ের তুলনায় সকাল হলো কারডিও করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। ৩. না খেয়ে থাকা অভ্যাস পরিবর্তন করুন: অনেকেই মনে করে মোটা হয়ে গেলে অল্প করে খেতে হয়। তখন তারা না খেয়ে থাকে। কিন্তু অাপনি জানেন সেক্ষেত্রে দেহে আরো চর্বি জমে বৃদ্ধি পায় যাতে দেহ যখন খাদ্য থেকে বঞ্চিত থাকে, তখন চর্বি পুড়িয়ে প্রয়োজনীয় শক্তি সঞ্চারণ করতে পারে! ৪. আমিষ এবং শর্করার নিয়মমাফিক খাওয়া: প্রবাদ আছে, সিক্স প্যাক জিমে না, রান্নাঘরে তৈরি হয়। একজন সুস্থ স্বাভাবিক নারীর দিনে ৪৬ গ্রাম এবং পুরুষের ৫৬ গ্রাম আমিষ খাবার খাওয়া উচিত। সিক্স প্যাক তৈরির জন্য মাছ, মুরগির মাংস, দুধ, ডিম, পিনাট বাটার এবং প্রচুর পরিমানে ফল ও শাকসবজি খেতে হবে। এবং বাদাম, মাছের তেল ইত্যাদি খাবার থেকে প্রয়োজনীয় স্নেহ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা কেতে হবেে। ৫. সম্পূর্ণ দেহের ব্যায়াম ও পরিপূর্ণ ঘুম: সিক্স প্যাক দৃশ্যমান করতে সম্পূর্ণ দেহের ব্যায়াম করতে হয়। এজন্য জিমে যাওয়া জরুরি। জিমে গিয়ে প্রশিক্ষক এর নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যায়াম করা উচিৎ। নাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এবং রাতে কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। সিক্স প্যাকস বডি তৈরীতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস : ১. কারো শরীরের গঠন মেদবহুল, স্থূলকায় অথবা মোটা, এই ওবেস ক্যাটাগরির কেউ যদি সিক্স প্যাক অ্যাবসের স্বপ্ন দেখেন তবে সেটা একটু দুরূহ ব্যাপার হয়ে যাবে। তবে হতাশ হবেন না অাসলে তার জন্য ব্যাপারটা সময়সাপেক্ষ। এই ক্যাটাগরির ক্ষেত্রে প্রথমেই উচ্চতা অনুপাতে যে বডিওয়েট হওয়া দরকার, সেই ওজনে নিজেকে প্রথমে আনতে হবে। এজন্য দরকার কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম। যেমন হাঁটা, জগিং, সুইমিং, সাইক্লিং কিংবা জিমে গিয়ে অ্যারোবিকাল এক্সারসাইজ— তার সঙ্গে প্রপার ব্যালেন্সড ডায়েট। প্রথম কর্তব্য শরীরের মেদ ঝরিয়ে টোনিং করা। মেদ ঝরিয়ে ঠিকঠাক টোনিং ব্যায়াম করলেই ফ্ল্যাট অ্যাবস হবে। তারপর আরো এক্সক্লুসিভ ব্যায়ামের মাধ্যমে সিক্স প্যাক অ্যাবের চেষ্টা করতে হবে।

তাহলে ভাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন TipsTrickBD এর সাথে থাকুন।ধন্যবাদ ।

9 months ago (March 11, 2021) 92 Views
Tags
Direct Link:
Share Tweet Plus Pin Send SMS Send Email

About Author (92)

Author

Nothing To Say....

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts



© 2021 All Right Received